মীনা কার্টুন বাংলা

3 (9)

Education | 3.0MB

Description

দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েশিশুদের একান্ত পরিচিত প্রতীক হচ্ছে মীনা। সে হচ্ছে সমাজ পরিবর্তনের প্রতিনিধি। নয় বছরের মেয়েটির কাজই হলো কিসে সবার ভালো হবে, তা দেখা। মীনার জন্ম ১৯৯২ সালে। দেখতে দেখতে ২১ বছর পার হলেও মীনা আটকে আছে সেই নয় বছরেই।
কেমন করে মীনা দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েশিশুদের প্রতীকে পরিণত হলো? এর পেছনে রয়েছে বহু গুণীজনের ভাবনা, শ্রম ও পরিকল্পনা। আজ থেকে ২০-২৫ বছর আগে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মেয়েদের অবস্থা ছিল করুণ। তখন গ্রামের বেশির ভাগ মেয়েকে পড়তে দেওয়া হতো না। শহরেও অনেক মেয়ে পড়ালেখা করতে পারত না। তখন সবার ধারণা ছিল, মেয়েরা ঘর-সংসার করবে; তাদের লেখাপড়ার কী দরকার। অল্প বয়সেই তাদের বিয়ে দেওয়া হতো। মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের ভালো ভালো খাবার দেওয়া হতো। মেয়েরাও যে ভালো ভালো চাকরি করতে পারে, ব্যবসা করতে পারে—এটা কেউ চিন্তাই করতে পারত না। এ অবস্থার তো পরিবর্তন হওয়া দরকার। তখন দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত সাতটি দেশ—বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা (এখন সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা আটটি। পরে আফগানিস্তান যুক্ত হয়) ১৯৯০ সালকে ‘মেয়েশিশু দশক’ হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৯০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে মেয়েদের মর্যাদাপূর্ণ সামাজিক অবস্থান, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মেয়েশিশুদের অধিকার সংরক্ষণ, মেয়ে ও ছেলেশিশুদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এ সম্পর্কে সব অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়। কিন্তু কীভাবে কাজটি করা হবে? তখন এই দেশগুলো ভাবল, মেয়েশিশুদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য এমন একটা কিছু করতে হবে, যা তাদের অবস্থার পরিবর্তনে সহায়ক হবে। দায়িত্ব পড়ল জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) ওপর। ইউনিসেফ চিন্তা করল, যদি এমন একটা চরিত্র সৃষ্টি করা যায়, যে পড়ালেখা করে এমন কিছু কাজ করবে, যা দেখে মেয়েদের মা-বাবারা বুঝতে পারবেন যে মেয়েদেরও লেখাপড়া করানো দরকার। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। ডেনমার্কের আর্থিক সহায়তায় তৈরি করা হলো এক নতুন ধারাবাহিক অ্যানিমেশন কার্টুন ছবি, যার প্রধান চরিত্র হলো মীনা। নয় বছরের মীনা ভীষণ হাসিখুশি একটি মেয়ে। সবার জন্য ভালো কিছু করতে মীনা সবার আগে থাকে। সব সময়ই তার আগ্রহ, কিসে এলাকার মানুষের উপকার হয়। যখনই মা-বাবার দরকার পড়ে, তখনই মীনা তাঁদের সাহায্য করে। ঘরের কাজও যেমন করে, তেমনি পড়ালেখাও করে। মীনা কার্টুন তৈরির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ।
মীনা কার্টুন ছবিতে মীনা ছাড়াও আছে আরও বেশ কয়েকটি চরিত্র। আছে ওর পিঠাপিঠি ছোট ভাই রাজু আর প্রিয় পোষা টিয়াপাখি মিঠু। আছে ছোট বোন রানি, মা-বাবা, দাদি, ফুফু, গ্রামের দোকানদার, দোকানদারের ছেলে, স্কুলের বড় আপু রিতা, গ্রামের মোড়ল আর আছে মীনাদের গরু লালী ও ছাগল মুনমুন।
The show has been broadcast in Bengali, English, Hindi, Nepali and Urdu. Meena educates the children of South Asia on issues of gender, health, and social inequality through her stories in comic books, animated films (Meena Cartoon[5]), and radio series (affiliated with the BBC). Secondary characters of her stories include her brother Raju and her pet parrot Mithu. Her adventures include attempting to get an education, having an equal share of food as Raju, and learning about the HIV virus, the right way to birth a baby, and helping peoples. All of her stories advocate change in social and cultural practices.
Her popularity is due to her not being closely bound to just one country or culture of South Asia, but uniting the common characteristics of them all. The character of Meena was created by famous Bangladeshi cartoonist Mustofa Monowar, and was partly due to UNICEF, an organization that supports the growing educational awareness of South Asia through Meena and her stories.

Show More Less

What's New মীনা কার্টুন

Meena Cartoon Best Educational source for baby

Information

Updated:

Version: 1.0

Requires: Android 4.0.3 or later

Rate

Share by

You May Also Like